ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা উপজেলার কসবার পৌরসভা এলাকার ৯নং ওয়ার্ডের বগাবাড়িতে সাওদা আক্তার লামিয়া (এসএসসি পরীক্ষার্থী ২০২৬, বয়স ১৬ বছর ৬ মাস) এর বাল্যবিবাহ হচ্ছে এমন একটি অভিযোগ পাওয়া যায়। ১০ এপ্রিল শুক্রবার তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি ও সঙ্গীয় ফোর্সকে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তানজিল কবির।
এসময়ে অভিভাবক হিসেবে মেয়ের বাবা সেন্টু মিয়াকে (৪৫) বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ তে ১০,০০০/- জরিমানা করা হয় এবং তিনি তার মেয়েকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে আর বিয়ে দিবেন না এমন মুচলেকা নেয়া হয়। এছাড়াও বাল্যবিবাহ উপলক্ষে যে খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল তা জব্দ করে আড়াইবাড়ী এতিমখানায় বিতরণ করে দেয়া হয়।
বাস মালিকরা এবার নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী Sheikh Robiul Alam। সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর Mohakhali Bus Terminal পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, অনেক ক্ষেত্রে বাসগুলো নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কিছুটা কম ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কোথাও কোথাও ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কম নেওয়া হচ্ছে। অতীতে যাত্রী কম থাকলে অনেক পরিবহন কম ভাড়ায় যাত্রী নেওয়ার অভ্যাস ছিল, এখনও কিছু বাস সেই অনুযায়ী ভাড়া নিচ্ছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত ভাড়া ৭০০ টাকা হলেও কেউ ৬০০ বা ৬৮০ টাকায় যাত্রী নিচ্ছেন। গত সাত দিনে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়ার কোনো ঘটনা পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। সড়কমন্ত্রী আরও বলেন, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে এক টাকাও বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই। বিষয়টি তদারকিতে মোবাইল কোর্ট, ভিজিলেন্স টিম এবং পুলিশের কন্ট্রোল রুম সক্রিয় রয়েছে। কোনো যাত্রী অভিযোগ করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষ ২৪ ঘণ্টা নজরদারিতে রয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, Rangpur-এ এক যাত্রী ১০০ টাকা বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেছিলেন। বিষয়টি জানার পর তিনি সেখানকার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে কথা বলেন। পরে যাচাই করে দেখা যায়, নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়া হয়নি। আগে যাত্রী কম থাকায় অনেক সময় কম ভাড়ায় যাত্রী নেওয়া হতো, এখন নির্ধারিত ভাড়ার কাছাকাছি ভাড়া নেওয়ায় কিছু যাত্রীর কাছে তা বেশি মনে হতে পারে। এ সময় মন্ত্রী আরও জানান, গণপরিবহনে পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তেলের দাম বাড়ছে না এবং পরিবহন মালিকরা প্রয়োজনীয় জ্বালানি পাচ্ছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। কোথাও তেল না পাওয়ার অভিযোগ থাকলে নির্দিষ্টভাবে জানাতে বলা হয়েছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব বলেও তিনি জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া উপজেলায় অভিনব কায়দায় দুই নারী মাদক কারবারি মাদক বহন করছিল এবং সংবাদের ভিত্তিতে আখাউড়া থানা পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালায়। ১২/০৪/২০২৬ সকাল ১১.৪৫ ঘটিকায় আখাউড়া থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আখাউড়া পৌর সভাস্থ মসজিদ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এস আই ফারুক এস আই ইমরান ও সঙ্গীয়ও ফোর্স সহ এই অভিযান পরিচালনাকালে এ সময় ০২ জন নারী মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। এবং তাদের দেহ তল্লাশীকালে অভিনব কায়দায় শরীরের সাথে কসটেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় ০২ জনের নিকট হতে ০৭ (সাত) কেজি গাঁজা উদ্ধার করে আখাউড়া থানা পুলিশের এই চৌকস টিম। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, গ্রেফতারকৃত আমেনা আক্তারের বিরুদ্ধে ০৩টি এবং ফুল বানুর বিরুদ্ধে ০১টি মাদক মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন ১। আমেনা আক্তার (২৪) স্বামী আনোয়ার হোসেন মাতা সুফিয়া গ্রাম আব্দুল্লাহপুর২। ফুল বানু (৪২) স্বামী কামাল মিয়া মাতা আরজ বেগম সাং রাধানগর মডেল মসজিদপাড়া থানা আখাউড়া জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। এ-সংক্রান্ত আখাউড়া থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছে। থানা সূত্রে জানানো হয় মাদকের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স এ কাজ করছে এবং মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন আখাউড়া থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি জাবেদ উল ইসলাম।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাতে সীমান্তবর্তী হওয়ায় যত্রতত্র সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অবৈধ মাদক ডুকছে কসবা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে এই সীমান্ত পাহাড় রয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি নামক একটি সংস্থা তারা সীমান্ত পাহারায় অতন্ত্র প্রহরী হয়ে কাজ করছে। কিন্তু তারপরেও একের পর এক বড় বড় মাদকের চালাক প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। তবে কসবা থানার পুলিশ তারাও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে কাজ করছে এটি ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করছেন এবং এই অভিযানে। বৃহস্পতিবার ০২/০৪/২০২৬. রাত ২১.৩০ ঘটিকায় কসবা থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অত্র থানাধীন কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা পূর্ব পাড়া এলাকা হতে ০১টি নীল ও সবুজ রং এর রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি আটক করে। এ সময় সিএনজি টি তল্লাশী করিয়া ১২ (বারো) কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। উদ্ধারকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের নাম ১। মোহাম্মদ সায়মন (২২) পিতা আব্দুল হান্নান মাতা জোসনা আক্তার সাং বাগড়া মধ্যপাড়া থানা ব্রাহ্মণ পাড়া জেলা কুমিল্লা ২। মোঃ সাঈম রানা (২৬) পিতা মোঃ মাসুদ আলম মাতা -বিলকিস গ্রাম চারুয়া ডেঙ্গুরতলা থানা কসবা জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। থানা সূত্রে জানানো হয় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজনীন সুলতানা। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে কাজ করছে কসবা থানা পুলিশ এবং মাদক নির্মল না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজনীন সুলতান।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত টানা সাত দিন বন্ধ থাকবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। দীর্ঘ এই ছুটির সময় অফিসের নিরাপত্তা বজায় রাখা, বিদ্যুৎ অপচয় রোধ এবং ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বিশেষ কিছু নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) অধিদপ্তরের সাধারণ প্রশাসন শাখার সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদের ছুটিতে অফিস ত্যাগ করার আগে প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে নিজ নিজ কক্ষের লাইট, ফ্যান, বৈদ্যুতিক সুইচ ও কম্পিউটার বন্ধ আছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য অগ্নিকাণ্ড বা যান্ত্রিক ত্রুটি এড়াতে এসি বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের প্লাগ খুলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দীর্ঘ সময় অফিস বন্ধ থাকায় কোনো কক্ষে পচনশীল বস্তু থেকে দুর্গন্ধ সৃষ্টি না হয় এবং ভবনের কোথাও—বিশেষ করে ওয়াশরুম বা আশপাশে পানি জমে না থাকে—সেদিকেও সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এডিস মশার বিস্তার রোধে কোথাও পানি জমে থাকার সুযোগ না রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, জীবন ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তন করে একটি দক্ষ জাতি গঠনে বর্তমান সরকার গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। তিনি বলেন, ইতোপূর্বে শিক্ষাঙ্গনকে নকলমুক্ত করার মত এবার তরুণ জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তোলার বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় এবং মালয়েশিয়ার ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন তিনি। সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুল বারী মজুমদার, উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আরিফুল বারী মজুমদারসহ উর্ধতন কর্মকর্তা ও শিক্ষকবৃন্দ। এ সময় তারা দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনসহ বেশকিছু পরিকল্পনা মন্ত্রীর কাছে পেশ করেন। পরে শিক্ষামন্ত্রী দক্ষ জাতি গঠনের তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এ ব্যাপারে বিশ্ববদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, শিক্ষক, গবেষকসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন। মতবিনিময়কালে তাঁরা দেশে উচ্চ শিক্ষার বিভিন্ন দিক, সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। বিশেষ করে কর্মমুখী শিক্ষা, তরুণদের দক্ষতা অর্জন এবং শিক্ষা জীবন শেষে তাদের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলার বিভিন্ন উপায় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। আলোচনার শুরুতে ইউসিএসআই ও অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে ফুল ও ক্রেস্ট উপহার দেয়া হয়। কর্ম ব্যস্ততার মধ্যে সময় দেয়া এবং ধৈর্যসহকারে বক্তব্যে শোনার জন্য মন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ। দক্ষ জাতি গঠনে মন্ত্রীর পরিকল্পনা ও যে কোন উদ্যোগ বাস্তবায়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন দুই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা আশা করেন আগের মেয়াদে শিক্ষাঙ্গন নকলমুক্ত করতে ড. এহসানুল হক মিলন যেভাবে সফল হয়েছেন তেমনিভাবে এই মেয়াদে দক্ষ জাতি গঠনের কাজেও শিক্ষামন্ত্রী সফল হবেন। উল্লেখ্য, ড. এহসানুল হক মিলন অতীশ দীপঙ্কর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট (এসডিআই) এর পরিচালক হিসেবে এক বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর দায়িত্বকালে দেশের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠীকে পেশাভিত্তিক দক্ষতা অর্জনে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কারিকুলাম প্রবর্তন করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাটি ১৯ কিলোমিটার সীমান্তবর্তী হওয়ায় পাচারকারী ও মাদককারবারীরা বিভিন্ন সময় মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এতে করে যত্রতত্র সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান বিভিন্ন অবৈধ মালামাল প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। যেহেতু ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাটি (১৯) কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে অনেক সময় সীমান্তে পাহারায় থাকা বিজিবির চোখ ফাঁকি দিতে পারলেও শেষ রক্ষা হয় না পাচারকারীদের। অবশেষে বিজিবির দূরদর্শী অভিযানে ধরা পড়ছে বড় বড় চোরা চালান। এটি আসলেই প্রশংসার দাবিদার এই ধারাবাহিকতায় বিজিবি একের পর এক অভিযান চালিয়ে আটক করছেন বড় বড় চালান। *সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) ৭০ লক্ষ ০৪ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ বিভিন্ন প্রকার মালামাল জব্দ করা হয়। তবে বিজিবি মহাপরিচালকের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে চোরাই মালামাল পাচার রোদে জিরো টলারেন্সে কাজ করার জন্য। এই ধারাবাহিকতায় বিজিবি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কাজ করে যাচ্ছে। মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর নির্দেশনা বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক এ মূলমন্ত্রে দিক্ষিত হয়ে সীমান্তে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) কর্তৃক গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে হয়েছে বলে জানিয়েছে সুলতানপুর (৬০) ব্যাটালিয়ান বিজিবি। এরই ধারাবাহিকতায় সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) এর অধিনায়ক, লেঃ কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি এর দিক নির্দেশনা ও সুনিপুন পরিকল্পনা মোতাবেক কুমিল্লা জেলার ব্রাক্ষণপাড়া ও আদর্শ সদর উপজেলা এবং ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার সীমান্ত এলাকা হতে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হয়। ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ* সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোসাইস্থল, কাজিয়াতলী, চন্ডিদার, কসবা, মঈনপুর, মাদলা, খাদলা, বিওপি এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং এবং আর্দশ সদর উপজেলার সালদানদী, শশীদল, শংকুচাইল এবং খারেরা বিওপির টহলদল কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে শাড়ী, বাজি, জিরা, বাসমতি চাউল, ফুসকা, চিংড়ি মাছের রেণু, জনসন বেবি পাউডার, সাবান, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, মশার কয়েল, অকটেন তৈল জব্দ করতে সক্ষম হয়। আটককৃত চোরাচালানী মালামালের সর্বমোট নিরুপিত সিজার মূল্য আনুমানিক ৭০,০৪,১২০/-(সত্তর লক্ষ চার হাজার একশত বিশ) টাকা। আটককৃত চোরাচালানী মালামালসমূহ কাষ্টমস্ অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। কর্তৃপক্ষ উর্ধ্বতন সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) সর্বদা সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এসব চোরাচালানী মালামাল জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল শরীফ পরিচালক অধিনায়ক সুলতানপুর (৬০) ব্যাটালিয়ান বিজিবি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাতে সীমান্তবর্তী হওয়ায় যত্রতত্র সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অবৈধ মাদক ডুকছে কসবা উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে এই সীমান্ত পাহাড় রয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বিজিবি নামক একটি সংস্থা তারা সীমান্ত পাহারায় অতন্ত্র প্রহরী হয়ে কাজ করছে। কিন্তু তারপরেও একের পর এক বড় বড় মাদকের চালাক প্রবেশ করছে বাংলাদেশ। তবে কসবা থানার পুলিশ তারাও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে কাজ করছে এটি ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করছেন এবং এই অভিযানে। বৃহস্পতিবার ০২/০৪/২০২৬. রাত ২১.৩০ ঘটিকায় কসবা থানা পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে অত্র থানাধীন কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা পূর্ব পাড়া এলাকা হতে ০১টি নীল ও সবুজ রং এর রেজিস্ট্রেশন বিহীন সিএনজি আটক করে। এ সময় সিএনজি টি তল্লাশী করিয়া ১২ (বারো) কেজি গাঁজা উদ্ধারসহ ০২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করে। উদ্ধারকৃত মালামাল বিধি মোতাবেক জব্দ তালিকা মূলে জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিদের নাম ১। মোহাম্মদ সায়মন (২২) পিতা আব্দুল হান্নান মাতা জোসনা আক্তার সাং বাগড়া মধ্যপাড়া থানা ব্রাহ্মণ পাড়া জেলা কুমিল্লা ২। মোঃ সাঈম রানা (২৬) পিতা মোঃ মাসুদ আলম মাতা -বিলকিস গ্রাম চারুয়া ডেঙ্গুরতলা থানা কসবা জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া। থানা সূত্রে জানানো হয় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজনীন সুলতানা। মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে কাজ করছে কসবা থানা পুলিশ এবং মাদক নির্মল না হওয়া পর্যন্ত এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজনীন সুলতান।